Pages

DSE

Freelancer

Freelance Jobs Freelance Jobs
Showing posts with label BTRC. Show all posts
Showing posts with label BTRC. Show all posts

Sunday, August 1, 2010

Mobile ISD call with 00 code from Aug 1

From Aug 1, mobile-phone subscribers will have to dial 00, instead of 012, before the country code to make cheap international calls.
Callers can get the same benefit by dialing 00 before the country code, the telecoms regulator chief confirmed.
"All the international call rates have been reviewed and brought under a single platform," BTRC chairman Zia Ahmed told bdnews24.com on Thursday.
The rate with the new dialing code will be same as it was with 012, he added.
Subscribers of state-run Bangladesh Telecommunication Company Limited will, however, have to wait a bit as it would take some time to adopt with the new system, according to the BTRC chairman.
"Due to technical limitations BTCL will need more time."

Most ISD call rates down from Sunday

From Sunday, the costs of telephone calls to most overseas destinations will be reduced, according to the website of Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC).
These lower prices are part of the decision by the BTRC to bring all calls under a single platform - with callers from now on having to dial 00 to make international calls. Callers will no longer be able to make calls using 012 prefix.
The BTRC website shows the revised tariff for calls to India using both land lines and mobile phones will be Tk 12 per minute, reduced from Tk 15-18 per minute.
There will be a tariff of Tk 6 per minute for calling the following countries: Canada, the US, Argentina, the UK, Ireland, France, Italy, Germany, Australia, New Zealand, Malaysia, Singapore, Thailand, China and Hong Kong.
Calls made to land lines telephones of the following destinations would be charged at Tk 8 per minute: Australia, the Bahamas, Puerto Rico, Costa Rica, Austria , Belgium, Cyprus, Greece, Turkey ,Norway, Poland, Portugal, Spain, Switzerland, Taiwan, and South Korea.
Tariffs for making calls to the Middle Eastern states of Saudi Arabia, Kuwait, the UAE, Bahrain, Iran, Iraq, Egypt, Lebanon, Qatar and Syria will range from Tk 12 to Tk 18.
A BTCL official told bdnews24.com on Saturday that even though the rates of calls by dialling 012 were low, the quality of service was not good.
"At the same time BTCL subscribers had to spend more money on their regular ISD calls. This is why the 012 system is being discontinued," an official of BTRC told bdnews24.com, preferring anonymity as he was not authorised to speak to the press.

Sunday, July 25, 2010

Mobile subscribers reach nearly 6 crore

The number of mobile users in the country reached nearly six crore at the end of the last financial year [till June 30] after the six operators added 13.29 million subscribers in FY 2009-10.
The Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission’s data, released on Tuesday, showed that the number of active users of mobile phones rose to 59.98 million on 30 June this year from 46.29 million on 30 June last year. The operators added 1.52 million new subscribers in June this year.
An executive of a mobile company claimed that the number of subscribers would have been greater if the government had not imposed the tax of Tk 800 that they have to pay for each SIM.
Mobile operators claimed that they gave ‘subsidy’ to each new subscriber by selling every SIM at a price much below Tk 800, mainly because of the fierce competition between mobile companies.
The largest operator, Grameenphone, added 5.3 million subscribers in the just concluded financial year, and added 0.91 million consumers in June to take its total subscriber base to 26.46 million.
The total number of subscribers for Banglalink stood at 16.10 million at the end of the last fiscal year as the company added 5.06 million consumers in one year. It attracted 0.51 million subscribers in June.
The subscriber base of Robi, which was previously known as Aktel, reached 11.10 million at the end of June as it added 2.25 million subscribers in one year. It added 0.14 million subscribers in June.
Warid Telecom, the greater part of which was recently acquired by India’s Bharati Airtel, added 0.59 million subscribers in a year, and the total number of its subscribers reached 3.17 million at the end of the last financial year. The company added 0.09 million subscribers in June.
The subscriber base of City Cell, The lone CDMA mobile operator, reached 1.99 million as it added only 0.03 million subscribers in a year. There was no addition to company’s subscriber base in June this year.
Teletalk, the state-run mobile operator, added only 0.06 million subscribers in a year and its total number of subscribers was 1.16 million at the end of June. The number of active subscribers of the company declined by 0.03 million in June.

Tuesday, July 20, 2010

যত্রতত্র মোবাইল টাওয়ার বিকিরণের কবলে দেশ

hawker.com.bd [ প্রথমপাতা ] 2010-07-18

যত্রতত্র মোবাইল টাওয়ার বিকিরণের কবলে দেশ

hawker.com.bd

এবার পরিবর্তন করা হচ্ছে টেলিযোগাযোগ নীতিমালা

hawker.com.bd [ ] 2010-07-19

এবার পরিবর্তন করা হচ্ছে টেলিযোগাযোগ নীতিমালা


বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নীতিমালা, ১৯৯৮-এ পরিবর্তন করা হবে। সংসদে প্রস্তাবিত টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০১০-এর সঙ্গে মিল রাখতেই এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এ আইনটি চলতি অধিবেশনে পাস হওয়ার পরে, পরিবর্তিত জাতীয় টেলিযোগাযোগ নীতিমালা তৈরি হবে বলে জানিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রামের পলিসি স্পেশালিস্ট আসিফ সালেহও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র জানায়, জাতীয় টেলিযোগাযোগ নীতিমালা লঙ্ঘন করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে, এমন অভিযোগ ওঠায় এখন ওই নীতিমালায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এম রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, মন্ত্রণালয়ে জাতীয় টেলিযোগাযোগ নীতিমালা, ১৯৯৮ পরিবর্তনের কাজ চলছে। খসড়াও প্রস্তুত। তবে উপস্থাপনে কিছুটা দেরি হবে।

যে কারণে নীতিমালা সংশোধন করতে হচ্ছে: জাতীয় টেলিযোগাযোগ নীতিমালায় বলা আছে, এর আলোকে একটি টেলিযোগাযোগ আইন এবং টেলিযোগাযোগ কমিশন গঠন করা হবে। নীতিমালায় কমিশনকে প্রণীতব্য আইনের (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন, ২০০১) অভিভাবক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু প্রস্তাবিত আইনে কমিশনের আর অভিভাবক হিসেবে থাকার সুযোগ রাখা হয়নি। তার স্বাধীন অস্তিত্ব ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। ফলে জাতীয় নীতিমালার সঙ্গে আইনের সাংঘর্ষিক অবস্থা তৈরি হয়েছে।

নীতিমালার ৪.২.২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘টেলিযোগাযোগ নিয়ামক কমিশন এমন একটি স্বশাসিত কমিশন হইবে যাহা ইহার স্বাধীনতা বজায় রাখিবে। কমিশনের প্রধান এবং অন্যান্য সদস্য একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে নিয়োগপ্রাপ্ত হইবেন।’

প্রস্তাবিত সংশোধনীতে মূল আইনের নাম ও বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে। আইনের শিরোনামে ‘নিয়ন্ত্রণ’ যোগ করা হয়েছে। ফলে এটি টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন হিসেবে পরিচিত হবে।

প্রস্তাবিত আইনে ট্যারিফ কাঠামো ও অনুমোদন, লাইসেন্সসংক্রান্ত যাবতীয় কাজ (ইস্যু, বাতিল, শর্ত পরিবর্তন), নীতিমালা প্রণয়ন ক্ষমতা মন্ত্রণালয়ের হাতে ন্যস্ত করা হচ্ছে। এতে কমিশনের স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে, যা জাতীয় টেলিযোগাযোগ নীতিমালার ৪.২.২ অনুচ্ছেদের স্পষ্ট লঙ্ঘন। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতেই এখন নীতিমালা বদল করা হচ্ছে। অবশ্য ডাক ও টেলিযোগাযোগসংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু দাবি করেছেন, ওই নীতিমালা পরিবর্তন না করলেও প্রস্তাবিত টেলিযোগাযোগ আইন কার্যকর করতে কোনো সমস্যা হবে না।

দেশে মুঠোফোনের গ্রাহক ছয় কোটি ছাড়িয়ে গেছে

hawker.com.bd [ অর্থ ও বাণিজ্য ] 2010-07-18

দেশে মুঠোফোনের গ্রাহক ছয় কোটি ছাড়িয়ে গেছে


দেশের মুঠোফোনের গ্রাহক সংখ্যা ছয় কোটি অতিক্রম করেছে। গত ৩০ জুন পর্যন্ত এই সংখ্যা ছয় কোটি পাঁচ লাখ এক হাজার। এই হিসাবে দেশের দুই-পঞ্চমাংশ লোকের হাতেই মুঠোফোন পৌঁছে গেছে।
বিশাল এ অর্জনে আনন্দের পাশাপাশি মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলো খানিকটা হতাশও। তাদের দাবি, শুধু সংযোগ কর (সিম ট্যাক্স) না থাকলে গ্রাহকের সংখ্যা আরও অনেক বাড়তে পারত।
অপারেটর কোম্পানিগুলোর পৃথক তথ্য অনুযায়ী, গত জুন মাসে টেলিটক বাদে বাকি পাঁচটি অপারেটর কোম্পানি সাড়ে ২১ লাখ নতুন গ্রাহক যোগ করেছে। এর আগে মে মাসে দেশের ছয়টি অপারেটর কোম্পানি ২০ লাখ নতুন গ্রাহক যোগ করেছিল।
গ্রামীণফোন জানিয়েছে, জুন মাসে তাদের গ্রাহক বেড়েছে ১১ লাখ ৬৮ হাজার। এতে সব মিলিয়ে তাদের গ্রাহক দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৬৭ লাখ ১৮ হাজারে। অন্যদিকে দ্বিতীয় সেরা অপারেটর বাংলালিংকের গ্রাহক বর্তমানে এক কোটি ৬৫ লাখ। ওয়ারিদের গ্রাহক সংখ্যা ৩১ লাখ ৭০ হাজার। তবে এ সময়ে একমাত্র দেশীয় মোবাইল অপারেটর কোম্পানি টেলিটকের গ্রাহক কমেছে ২৭ হাজার। মে মাসের শেষে ১১ লাখ ৯০ হাজার গ্রাহকে পৌঁছে যাওয়া টেলিটকের গ্রাহক এখন ১১ লাখ ৬৩ হাজারে নেমে এসেছে।
মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলোর সংগঠন অ্যামটবের সভাপতি জাকিউল ইসলাম প্রথম আলোকে জানান, মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলো এবং বাংলাদেশের জন্য এটি অবশ্যই বড় অর্জন। তবে পুরো কৃতিত্ব অপারেটর কোম্পানিগুলোর। কারণ আইনগত নানা চ্যালেঞ্জ এবং হাজার কোটি টাকার করের বোঝা সত্ত্বেও অপারেটর কোম্পানিগুলো দেশের টেলিযোগাযোগ খাতকে যে একযোগে এগিয়ে নিচ্ছে, এটিই এর প্রমাণ।
তবে মুঠোফোনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ছয় কোটি মোবাইলের সিম কার্যকর হলেও, প্রকৃতপক্ষে টেলিঘনত্ব আরও কম।
গ্রামীণফোনের রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্সের জেনারেল ম্যানেজার মাহমুদ হোসেইন জানান, টেলিঘনত্বের হিসাব সব সময় সঠিক হয় না। কারণ দেশের অসংখ্য লোক একাধিক সিম ব্যবহার করেন। এক্ষেত্রে ৩২-৩৬ শতাংশ লোকের হাতে মুঠোফোন আছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের সেপ্টেম্বরে মুঠোফোনের গ্রাহক সংখ্যা পাঁচ কোটি হয়েছিল। এ সংখ্যা ২০০৮ সালের এপ্রিলে চার কোটি এবং ২০০৭ সালের জুলাইয়ে তিন কোটি পার হয়। ১৯৯৩ সালে দেশে মুঠোফোনের যাত্রার পর প্রথম তিন কোটি গ্রাহক অর্জনে সময় লাগে ১৪ বছর। পরের তিন কোটি গ্রাহক এল তিন বছরেরও কম সময়ে।

কল সেন্টার স্থাপনে ইইএফ থেকে আর্থিক সহায়তা পাওয়া যাবে

hawker.com.bd [ অর্থনীতি ] 2010-07-17

কল সেন্টার স্থাপনে ইইএফ থেকে আর্থিক সহায়তা পাওয়া যাবে



ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে কল সেন্টার স্থাপনে সমমূলধন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন তহবিল (ইইএফ) থেকে আর্থিক সহায়তা পাওয়া যাবে। ইইএফ ফান্ড গঠনের দশ বছর পর কল সেন্টার এই সুযোগ পেল। এক বছরের অভিজ্ঞতা কল সেন্টারকে ঋণ সহায়তা দেয়া হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আইটি তহবিল নীতিমালা সংশোধনের মাধ্যমে কল সেন্টার খাততে অন-ভর্ুক্ত করেছে। আইটি শিল্প প্রসারের লৰ্যে ইইএফ(আইটি) তহবিল নীতিমালার ব্যাপক সংশোধন করা হয়। ধীরে ধীরে দেশে কল সেন্টারের গুরুত্ব বাড়ছে। কিন্তু আর্থিক সহায়তার অভাবে এ খাতটি আলোচনায় আসতে পারছে না। যদিও বিশেষজ্ঞমহল মনে করছে কল সেন্টার স্থাপনে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বড় ভুমিকা রয়েছে। ইতোমধ্যে সারাদেশে ৩৩ টি কল সেন্টার গড়ে উঠেছে। এক বছর আগে শুরু করা কল সেন্টারগুলোতে এ পর্যন- ১৫ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। ২০১০ সালে কাজ করার জন্য কল সেন্টারগুলোতে অন-ত ৩০ কোটি টাকার কাজ রয়েছে। প্রায় সাড়ে তিন হাজার কর্মী নিয়ে ৩৩টি কল সেন্টার পরিচালনা হচ্ছে। এ খাতে বিনিয়োগের পরিমান দাঁড়িয়েছে একশ' কোটি টাকা। কল সেন্টার মালিকদের সংগঠন কাব্য সুত্র মতে সারা বিশ্বে কল সেন্টারের কাজ রয়েছে ৫০ হাজার ৫শ কোটি মার্কিন ডলারের। এর এক শতাংশ বাংলাদেশে আনতে পারলে সেটি রেমিটেন্স বা তৈরি পোশাক শিল্প খাতের আয়ের চেয়ে বেশি হবে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন(বিটিআরসি) সুত্র মতে, কল সেন্টার শুরু জন্য চারশ লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। কিন্তু কাজ না শুরু করায় ২শ লাইসেন্স ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি খাত আইটি শিল্প বিগত সময়ে সরকারের আইটি তহবিল থেকে কোন আর্থিক সহায়তা পায়নি। ওই সহায়তা ছাড়াই কল সেন্টারগুলো ইতোমধ্যে একশ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে।
বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করছে। ফলে কল সেন্টার স্থাপন ও সম্প্রসারণ গুরুত্ব বহন করছে। এ লক্ষ্যে সরকার কল সেন্টারকে আর্থিক সহায়তার সিদ্ধান- নিয়েছে। বিশেষ করে এ জন্য ইইএফ নীতিমালায় সংশোধনী আনা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আইটি শিল্প স্থাপন ও প্রসারের লৰ্যে ইকুইটি এন্ড এন্ট্রারপ্রানারশীপ (ইইএফ-আইটি) ফান্ড সুষ্ঠু ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহন করে। এ জন্য আইসিবি কে সাব এজেন্ট হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়।
ইইএফ নীতিমালা সংশোধন সম্প্রতি আইটি তহবিল নীতিমালার সংশোধন করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সংশোধনীতে উলেস্নখ্য করা হয় আইটি তহবিল নীতিমালায় কল সেন্টার খাতকে অনর্ত্দভুক্ত করণ ও কল সেন্টারের জন্য ঋণ পাওয়ার ৰেত্রে এক বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এছাড়া কল সেন্টারের ২০ শতাংশ কর্মকর্তা ও কর্মচারী কম্পিউটার বিজ্ঞান বা আইটি বিষয়ে ডিগ্রী বা স্নাতকোত্তর ডিপেস্নামা থাকতে হবে। নীতিমালা সংশোধনীতে আরও বলা হয় মঞ্জুরী বোর্ডের কোরাম তিন জনের স্থলে চার জন করা যেতে পারে। সংশোধনী নীতিমালা আরও বলা হয় ইইএফ অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইসিবি নিয়মিত মনিটরিং ও পরিদর্শন করবে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও আইসিবি সমন্বয়ে একটি পরির্দশন টিম গঠন করা হবে। ইকু্যইটি অ্যান্ড অন্ট্রাপ্র্যান্যারশীপ ফান্ড(ইইএফ)সম্ভাবনাময় ও ঝুকিপূর্ণ সফটওয়্যার শিল্প এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পভুক্ত প্রকল্পে বিনিয়োগ উদ্বুদ্ধকরণের লৰ্যে ২০০০-০১ অর্থ বছরে জাতীয় বাজেটে প্রাথমিক ভাবে একশ কোটি টাকা বরাদ্দের মাধ্যমে ইইএফ ফান্ড গঠন করা হয়। ২০০৯ সালের ১৬ এপ্রিল অর্থমন্ত্রনালয়ের অনুমোদনে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাব এজেন্ট হিসাবে ইকু্যইটি অ্যান্ড অন্ট্রাপ্যান্যারশীপ ফান্ড এর কার্যক্রম বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আইসিসির নিকট হসত্দানত্দর হয়।এ পর্যনত্দ বিভিন্ন বছরের বাজেটে ইইএফ ্বাব্দ বরাদ্দ করা হয়েছে ১৭শ কোটি টাকা। এরমধ্যে ছাড়কৃত অর্থের পরিমান হচ্ছে ৬২৫ কোটি টাকা। ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে কোন প্রকল্প ইইএফ মঞ্জুরী পায়নি। সদ্য বিদায়ী অর্থ বছরেন পুঞ্জিভুত ইইএফ সহায়তার পরিমান দাঁড়ায় ৪০ কোটি টাকা। বি্তরণের তারিখ হতে আট বছরের মধ্যে ইইএফ ফান্ডের অর্থ ফেরত দেয়ার বিধান রয়েছে। প্রথম তিন বছরের মধ্যে শেয়ারর অভিহিত মুল্য বাই ব্যাক করা যাবে। পররর্তী পাচঁ বছরের মধ্যে ব্যাকআপ ভ্যালু বাই ব্যাক করতে হবে। এ পর্যনত্দ ১২টি কৃষি ভিত্তিক ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রকল্পের বিপরীতে ৩৬ কোটি টাকা এবং ৩টি আইটি প্রকল্পের বিপরীতে ২ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার বাই ব্যাক করা হয়েছে। চলতি বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যনত্দ ১৫শ কোটি টাকা প্রকল্প মূল্যের ৩৪টি আইটি প্রকল্প অর্থাৎ সবের্ামোট ১৬শ ৪০ কোটি টাকা প্রকল্প মূল্য বিশিষ্ট ২৫০টি প্রকল্পে ৬২৫ কোটি টাকা ইইএফ সহায়তা মঞ্জুরী করা হয়েছে। ২১৬টি কৃষি ভিত্তিক ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রকল্পের মধ্যে ২শ প্রকল্পের অনুকুলে ৪৮৫ কোটি টাকা এবং ৩২টি আইটি প্রকল্পের অনুকুলে ৪৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা অর্থাৎ সর্বমোট ৫৩০ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। চলতি বাজেটে বরাদ্দ ২০১০-১১ অর্থ বছরের বাজেটে তথ্য প্রযুক্তি আইটি শিল্প বিকাশের লৰ্যে ২শ কোটি টাকার একটি আইটি তহবিল গঠন করা হয়। আগের অর্থ বছর ২০০৯-১০ সালে আইটি খাতের ২শ কোটি টাকার তহবিল থেকে একশ কোটি টাকা খরচ হয়। ফলে আগামী অর্থ বছর ও চলতি অর্থ বছর মিলে আইটি তহবিলের পরিমান দাঁড়ায় ৩শ কোটিতে। ওই টাকার পুরো ফান্ড দেখাশুনা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
২০০৯-১০ অর্থ বছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মার্চ পর্যনত্দ ১৪টি আইটি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। অর্থ মন্ত্রনালয় আইটি তহবিল থেকে একশ কোটি টাকা ছাড় করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক, একু্যইটি এন্ড এন্ট্রাপ্রেনরশীপ ফান্ডের স্থাপনকাল হতে এ পর্যনত্দ আইটি খাতে ৩৪টি প্রকল্প মঞ্জুর করা হয়েছে। ওইসব প্রকল্পের মোট ব্যয় হচ্ছে ১৬শ ৪৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।

পি এসটিএন আবার চালু নিয়ে সরকারের মধ্যে মতবিরোধ

hawker.com.bd [ ] 2010-07-14

পি এসটিএন আবার চালু নিয়ে সরকারের মধ্যে মতবিরোধ


hawker.com.bd
hawker.com.bd
 



JS curtail BTRC’s power, empower govt to issue telecom license, fix fee, charge

Parliament on Monday passed a bill transferring the authority from BTRC to government of determining the procedure of issuing telecommunication license, formulate guidelines, fix fee and charge, and prepare the tariff structure.
Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) lost its power following the amendment to International Long Distance Telecommunications Services (ILDTS) Policy, 2010 approved by the cabinet on March 20 this year.
The Bangladesh Telecommunications (Amendment) Bill, 2010 passed by voice vote provides for allowing legal use of VoIP (voice over internet protocol) and issuance of Call Termination Operator License to create jobs for the youth and experienced small traders.
Post and Telecommunication Minister Raji Uddin Ahmed Raju moved the Bill in the House.
The Bill also provided for maximum fine of Tk 300 crore and maximum five years’ imprisonment from the existing highest fine of Tk 10 lakh in the wake of changes in the pattern of crimes and data analyses with development of telecommunications.
The bill contains provisions to stop extortion by using telephone and to protect the country’s unity and solidarity.
According to the bill, a person will be sentenced to maximum 5 years imprisonment and maximum fine of Tk 300 crore if s/he, using telecommunication equipment or radio instrument, sends any signal or message against national unity and solidarity, or that is seditious or may create hatred, split and unrest among the people or harmful to Bangladesh’s sovereignty or defense, or damaging to Bangladesh’s friendly relations with foreign countries, or Bangladesh’s security, public safety or public discipline or rule of law, create fear among the people or any community or against the economic interest of the state.
Under the bill, if any person wants to send any obscene message, fearful or serious defamatory message by using telecommunications equipment or radio instrument and proposes it to another person who is in charge of operating those equipment and the second person accepts the proposal and sends the message deliberately, in that case both the persons will be sentenced to maximum two years imprisonment and maximum fine of Tk 5 crore or with both.
For extortion, if any person using telecommunications equipment or radio instrument sends obscene, seriously defamatory or threats or any other fearful message to another person or persons will be sentenced to maximum five years imprisonment or maximum fine of Tk 5 lakh.
The bill provided for establishing “Social Accountability Fund” for bringing the people living in backward areas to telecommunications network in a bid to bring positive results in their socio-economic life.
Opposing the bill, independent lawmaker Fazlul Azim said he apprehended that it would be an impediment to the flourishing of information technology in the country.
Moving a motion for eliciting public opinion, he said the law was first enacted during the Awami League government in 2001 when BTRC was given the power to take punitive action. But after the passage of the bill, the Telecommunications Ministry’s permission will be required to take punitive action against the offenders.
Azim observed that the amount of fine of Tk 300 crore would be an intolerable burden on the entrepreneurs and proposed to send the bill to a select committee.
In response, Post and Telecommunication Minister Razi Uddin Ahmed Raju said the bill had been formulated after discussions with experts and stakeholders.
He said with the arrival of new technologies many would secretly make crores of taka every week.
The House passed the bill by voice vote after rejecting Azim’s motions.

HC issues rule on BTRC chief on RanksTel issue

The High Court on Monday issued a rule asking the BTRC chairman and telecommunications secretary to explain within seven days why they should not be punished on charge of contempt of court for not appointing an administrator of RanksTel.
The HC on May 11 in a verdict directed the Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) and government authorities to appoint an administrator to run operation of land phone company RanksTel, which the BTRC had shut down in March this year on charges of running illegal Voice Over Internet Protocol (VoIP) business.
The HC bench of Justice Syed Mahmud Hossain and Justice Gobinda Chandra Tagore issued the rule following a contempt of court petition filed by RanksTel on July 13.

Govt to ride roughshod, BTRC wings clipped

hawker.com.bd [ First Page ] 2010-07-20

Govt to ride roughshod, BTRC wings clipped


Telecom bill 2010 passed in JS

The parliament (JS) Monday passed Bangladesh Telecommunication (Amendment) Bill, 2010 clipping wings of BTRC and strengthening grip of the government over the telecom sector.

Telecommunications minister Mohammad Rajiuddin Ahmed Raju piloted the bill and it was passed in voice vote.

The amendments stipulate stringent punishment for any wrongdoing with the penalty being as high as Tk 3 billion.

After the enactment of the law, the government will be empowered to approve licence applications to provide telecom service, approve tariff rate and call and other charges, and take any action to implement international rules and agreements.

The Bangladesh Telecom Regulatory Commission (BTRC) will submit a report before the government about new licence applications. After scrutinising the report, the government will give its final decision.

If a telecom operator wants to sell its stake or merge with any other company, it will need to take permission from the government. The government will also renew licences of the existing telecom operators.

The government can now take decision to scrap the licence of any operator and approve tariff rates of the operators.

The operators will submit fair and logical tariff rate proposals to the government through the commission and within 60 days of submission, the government will give its decision.

If any person provides telecom or internet service without having a licence, he will be penalised with a Tk 3 billion in fines.

If any licenced operator without proper approval allows any other person to use telecom installations or equipment, the operator will be penalised with three to five years' imprisonment or Tk 2 billion in fine or both.

If an operator gets licence hiding any information or cannot start providing service within the stipulated time mentioned in the licence, he will be penalised with Tk two billion in administration fine.

No operator will be allowed to broadcast radio frequency without prior approval from the commission, and if anybody does so, he will face a penalty of Tk three billion.

The commission will submit its annual report to the ministry within 120 days after the end of the previous financial year and transfer surplus revenue to the government exchequer every six months.

The commission will form a social obligation fund to extend telecom facility to the areas where the service is not available. The fund will receive money from the government, domestic or international organisations or any other legal contribution.

Telecom secy, BTRC chief served contempt rule

hawker.com.bd [ First Page ] 2010-07-20

Telecom secy, BTRC chief served contempt rule


The High Court (HC) has asked telecoms Secretary Sunil Kanti Bose and Bangladesh Telecommunications Regulatory Commission (BTRC) chief Zia Ahmed why they should not face contempt of court charges for ignoring a court order. They have four weeks to come up with an explanation. The bench of justices Syed Mahmud Hossain and Gobinda Chandra Tagore gave the orders Sunday based on a petition by private land telephone operator RanksTel Ltd.

Monday, July 19, 2010

Digital centres in sight

A simplified mobile payment system can reduce the hassles of money transaction across the country.
All it needs to do is setting up a pay-point to be dubbed as Digital Center, where five entrepreneurs will run an outlet and provide services to send and receive money and ease the entire payment system.
In such a digital m-payment system, people can send and receive money just using a common code in mobile phone. The service is likely to be available by the year-end.
The mastermind behind this venture, Mozammel Haque Babu, CEO of Digital Technologies Ltd, a local ICT company, said he will set up 10,000 such digital centers across the country by the end of 2011.
The company got approval from the currency management department of the Bangladesh Bank on July 2 to start m-payment.
The service is expected to ease the payment system of the government, businesses and individuals.
"This system will reduce half the workload of the state-owned banks," said Mozammel Haque.
Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) in February issued a short code, 14203, for this service, he said.
Subscribers of any telecom operators can get the service using this code.
In the system, people can receive remittances from their near and dear ones, and transfer funds to different destinations at home and abroad.
Government employees can receive salaries, and freedom fighters can get their allowances even in the remote rural areas within minutes.
All the involved parties will maintain a prepaid mobile payment account and all the transactions will be simple account-to-account transfer, said Mozammel Haque.
The money transaction chain includes payment from bank to pay-point that will be a Digital Centre, and then directly to customer, where the client can pay to merchant.
And the merchants will cash the transacted amount from the digital centre or bank or ATM.
"Here the customers will also be able to recharge their Digital Money in their mobile wallet drawing fund from their respective account maintained with any of the member banks through Q Cash Network," said the Digital Technologies chief.
"The merchants and customers will be able to withdraw cash from Q Cash or any other ATM installed all over Bangladesh apart from the pay-point."
With this system, people can transact diverse expenses, such as paying utility bills and taxes to the government, paying bills to restaurant, hospital, taxicab, gas station and online shopping through mobile phone, he said.
"Along with personal transaction, money transfer system will be eased, as one can also pay workers' salary, loan or micro-credit repayment, pay fees of school, college and university," he said.
"At the same time, remittance disbursement, and the government payments, such as salary to public servants, pension, allowances of the freedom fighters, widows and aged people will also be simplified under this system," he added.
He said the company is now working to set up 10,000 outlets across the country by the end of 2011 to make the services available for all, even those who are not included in the banking channels now.
Initially, the company will set up 1,500 centres by the end of this year, said Mozammel Haque.
The central bank also approved the proposal of Sonali Bank to join the payment system, and the bank would finance 1,320 centres in and around Dhaka, he said.
The bank will lend Tk 1 lakh to each of the five entrepreneurs to help establish each digital centre, with what a total of 50,000 new jobs would be created for the educated youth in the next three years.
This initiative came as part of a Bangladesh Bank move to launch Digital Money-Mobile Payment Service with Multi-Bank and Multi-MNO (mobile network operator) facilities, approved in September.
Chowdhury Mohidul Haq, executive director of Bangladesh Bank, said the central bank is keen to ease the payment system, which will encourage people to use formal channels for sending money.
"We hope m-payment will ease the entire payment system further, especially in disbursing salaries to public servants and different allowances to people across the country," he said.
The central bank has given permission to different commercial banks, including Eastern Bank, Dhaka Bank, Dutch-Bangla Bank, Brac Bank, AB Bank, Trust Bank and Mercantile Bank, to join m-payment platform, Haq said.
"This model is actually bank-centric, and needs cooperation and better coordination to make it a success."

Tuesday, July 13, 2010

১৮ বছরের নিচে কেউ সিম কিনতে পারবে না

hawker.com.bd [ ] 2010-07-08

১৮ বছরের নিচে কেউ সিম কিনতে পারবে না


শাহজাহান আকন্দ শুভ : ১৮ বছরের নিচে কেউ মোবাইলের সিম কিনতে পারবে না৷ তবে তারা অভিভাবকের সিম ব্যবহার করতে পারবে৷ এ ছাড়াও সিম বিক্রয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত নতুন পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের শিাগত যোগ্যতা হতে হবে ন্যুনতম এসএসসি৷ তবে এখন যারা এ কাজের সঙ্গে যুক্ত তাদের এ যোগ্যতার দরকার নেই৷ অন্যদিকে পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতা নিয়োগের আগে তাদের পুলিশ ভেরিফকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে৷
গতকাল বুধবার সচিবালয়ে টেলিফোনে চাঁদাবাজি প্রতিরোধ কমিটির সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এডভোকেট সাহারা খাতুন সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন৷
সভাশেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, টেলিফোনে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, চাঁদাবাজি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে৷ এটাকে কীভাবে দমন করা যায় এ বিষয়ে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে৷ কীভাবে সিম বিক্রি করা হবে সে বিষয়ে একটি নীতিমালা করা হয়েছে৷ নতুন নীতিমালা অনুযায়ী যেসব পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতা তা অমান্য করবে তাদের লাইসেন্স বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট শামসুল হক টুকু৷ তিনি বলেন, টেলিফোন সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্মসচিবের নেতৃত্বে একটি প্রচার কমিটি ও বিটিআরসির নেতৃত্বে অপর একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে৷সভায় আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সকল মোবাইল ফোন অপারেটরকে সিম বিক্রির সঙ্গে সম্পৃক্ত পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের তালিকা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়৷ এ ছাড়াও একটি সিম কেনার সময় গ্রাহকের দেয়া তথ্য যাচাই বাছাই করতে সেপ্টেম্বর থেকেই জাতীয় পরিচয়পত্রের ডাটাবেজ থেকে অফলাইন ভেরিফকেন ও ২০১১ সালের জানুয়ারিতে অনলাইনে ভেরিফকেশন করার কাজ শুর“ হবে৷ কোন ব্যক্তি নতুন সিম কেনার সময় রেজিস্ট্রেশন ফরমে প্রদত্ত তথ্য সঠিক দৈয়েছেন কিনা তা জানতে অনলাইন ভেরিফকেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ যেসব গ্রাহক সেপ্টেম্বরের আগে সিম কিনেছেন এবং যাদের সিমের এখনও রেজিস্ট্রেশন হয়নি তাদেরকে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে মোবাইল অপারেটররা এসএমএস এর মাধ্যমে প্রতিটি গ্রাহকের তথ্য সংগ্রহ করবে৷নতুন সিম কেনার সময় শনাক্তকারী ব্যক্তির টেলিফোন নাম্বার ও পূর্ণ ঠিকানা ফরমে দিতে হবে৷ অপারেটরদের সংশ্লিষ্ট শনাক্তকারী ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হয়েই কেবল সিম বিক্রি করতে বলা হয়েছে৷
এ ছাড়াও রেজিস্ট্রেশন ফরম সঠিকভাবে পূরণ করা হচ্ছে কিনা এ বিষয়টি দেখার জন্য সভায় অপারেটরদের ভ্রাম্যমান টিম গঠন করে মনিটরিং করতে বলা হয়েছে৷

ভারত ও পাকিস্তানসহ ১৭টি দেশের সঙ্গে আইএসডি কল রেট কমছে

hawker.com.bd [ ] 2010-07-09

ভারত ও পাকিস্তানসহ ১৭টি দেশের সঙ্গে আইএসডি কল রেট কমছে



বিশ্বের ১৭ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের আইএসডি কল রেট প্রতি মিনিট সর্বোচ্চ ৮ টাকা পর্যন্ত কমছে৷ এছাড়া তার আগে থেকেই ৮ দেশে কার্যকর হওয়া ৬ টাকা মিনিটের রেট বহাল থাকছে৷ আগামী পয়লা আগস্ট থেকে নতুন এই কলরেট বাস্তবায়ন হবে৷ ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, লেবানন, কুয়েত, বাহরাইনসহ আরো কয়েকটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের আইএসডি কল রেট কমছে সর্বোচ্চ ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত৷ এখন এসব দেশে মিনিটপ্রতি ১৮ টাকার পরিবর্তে ১২ টাকায় টেলিফোন করা যাবে৷ তবে ল্যান্ডফোন এবং মোবাইলের আইএসডি কলের রেটে কিছুটা তারতম্য রাখা হয়েছে৷
আইএসডি কল রেট কমানো প্রসঙ্গে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) জিয়া আহমেদ বলেন, সরকার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ কার্যকর করার অংশ হিসাবেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে৷ কয়েকদিন আগে বিটিআরসি’র পাঠাাে এক চিঠিতে ১ আগস্ট থেকে আইএসডি কলের নতুন এই রেট কার্যকর করার ঘোষণা দেয়া হয়েছে৷ এর আগে গত বিজয় দিবসে হ্রাসকৃত এই রেট ঘোষণার কথা ছিল৷ কিন্তু ফাইলটি ছয় মাসেরও বেশি সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে আটকে ছিল৷ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সংশোধিত টেলিযোগাযোগ আইনে রেট ঘোষণার ক্ষমতা ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে চলে যাচ্ছে৷ ক্ষমতাহীন হওয়ার আগেই তড়িঘড়ি করে এই রেট কমানোর এই ঘোষণা দিল বিটিআরসি৷ আগামী ১১ জুলাই বিলটি সংসদে উঠছে৷
সূত্র জানিয়েছে, আইএসডি কল রেট কমানোতে সরকারের সামান্য রাজস্ব ক্ষতি হলেও গ্রাহকদের খরচ বেশ কমবে৷ তাদের মতে, বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন অন্তত ৫০ লাখ মিনিট আইএসডি আউট গোয়িং কল হয়৷ এর ৯৫ ভাগ কল যায় মাত্র ২৫টি দেশে৷ মূলত এই দেশগুলোতেই খরচ কমানো হয়েছে৷ বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ভারতে কথা বলতে মোবাইল এবং ল্যান্ডফোনে মিনিটপ্রতি ১৮ ও ১৫ টাকা খরচ হয়৷ এই খরচ ১২ টাকা করা হয়েছে৷ পাকিস্তানে ল্যান্ডফোন থেকে ১২ টাকা এবং মোবাইল থেকে ১৪ টাকা মিনিট নির্ধারিত হয়েছে৷ বাহরাইনের ক্ষেত্রেও তাই৷ কিন্তু সৌদি আরবে মিনিট ১৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১৬ টাকা করা হয়েছে৷ ওমান, আরব আমিরাত এবং কাতারেও মিনিটে ২ টাকা কমেছে৷ এসব দেশের ক্যারিয়ারগুলোর কল টার্মিনেট করতে অনেক বেশি চার্জ করায় খরচ খুব বেশী কমানো সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন বিটিআরসি’র ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা৷ এর বাই েকুয়েতে ১৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১৪ টাকা নির্ধারিত হয়েছে৷ লেবাননে সবচেয়ে বেশি ৮ টাকা কমিয়ে মিনিটে ১৬ টাকা করা হয়েছে৷ অন্যদিকে এখন মালদ্বীপে কথা বলতে মিনিটে ১৫ টাকা খরচ হলেও তা বেড়ে ২৬ টাকা হচ্ছে৷
আগেই বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্র্র, কানাডা, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, চীন, হংকং ও দক্ষিণ কোরিয়ায় ৬ টাকা মিনিটে কথা বলা যায়৷ ঘোষিত নতুন রেটেও এটি বহাল রয়েছে৷ অন্যদিকে ইংল্যান্ড, অষ্ট্রেলিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স, জাপান এবং ইতালির ল্যান্ডফোনে ৬ টাকা মিনিটে কল করা গেলেও মোবাইলে কথা বলতে মিনিটে লাগে সাড়ে ১৬ টাকা৷ নতুন ঘোষণায় অষ্ট্রেলিয়া এবং জাপানের জন্য রেট মিনিটে ১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে৷
ভারতে কল করতে রেট খানিকটা কমানো হলেও তা আরো কমাতে বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে৷ বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন শত-সহস্র লোক ভারতে চিকিত্সা বা অন্য প্রয়োজনে টেলিফোন করেন৷ ভারত থেকেও অনেক ফোন আসে৷ কিন্তু এ দুই দেশের মধ্যে ফোন কলের খরচ বেশ চড়া৷ এ খরচ কমিয়ে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে কল রেট ৬ টাকা নির্ধারণ করতে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে৷ দুই দেশের অপটিক্যাল ফাইবার কানেকটিভিটি হয়ে গেলে এই কল রেট মিনিটপ্রতি ৬ টাকায় চলে আসবে বলে জানা গেছে৷

আরও কমছে আইএসডি কলরেট

hawker.com.bd [ ] 2010-07-10

আরও কমছে আইএসডি কলরেট


১ আগস্ট থেকে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, লেবানন, কুয়েত, বাহরাইনসহ আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের আইএসডি কলরেট ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত কমছে। তখন ওই দেশগুলোতে মিনিটপ্রতি ১৮ টাকার পরিবর্তে ১২ টাকায় টেলিফোন করা যাবে। তবে ল্যান্ডফোন এবং মোবাইলের আইএসডি কলের রেটে কিছুটা তারতম্য রাখা হয়েছে। অন্তত ১৭টি দেশের সঙ্গে আইএসডি কলের রেট মিনিটপ্রতি সর্বোচ্চ আট টাকা পর্যন্ত কমছে।
অন্যদিকে দুটি দেশের বিপরীতে কলরেট খানিকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে থেকেই আট দেশে কার্যকর ৬ টাকা মিনিটের রেট বহাল থাকছে। সূত্র বলছে, আইএসডি কলরেট কমানোয় সরকারের রাজস্ব সামান্য কমলেও গ্রাহকের খরচ বেশ কমবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন অন্তত ৫০ লাখ মিনিট আইএসডি
আউট গোয়িং কল হয়। এর ৯৫ ভাগ কল যায় মাত্র ২৫টি দেশে। মূলত এ দেশগুলোতেই খরচ কমানো হয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ভারতে কথা বলতে মোবাইল এবং ল্যান্ডফোনে মিনিটপ্রতি যথাক্রমে ১৮ ও ১৫ টাকা লাগে। এ রেট হবে ১২ টাকা। পাকিস্তানে ল্যান্ডফোন থেকে ১২ টাকা এবং মোবাইল থেকে ১৪ টাকা মিনিট নির্ধারিত হয়েছে। বাহরাইনের ক্ষেত্রেও তাই। তবে সৌদি আরবে মিনিট ১৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১৬ টাকা করা হয়েছে। ওমান, আরব আমিরাত এবং কাতারেও মিনিটে ২ টাকা কমেছে। এসব দেশের ক্যারিয়ারগুলোর কল টার্মিনেট করতে অনেক বেশি চার্জ করায় খরচ খুব বেশি কমানো সম্ভব নয় বলে জানান বিটিআরসির এক কর্মকর্তা।
কুয়েতে ১৮ টাকা থেকে কমিয়ে প্রতি মিনিট ১৪ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। লেবাননে বেড়েছে সবচেয়ে বেশি ৮ টাকার স্থলে মিনিটে ১৬ টাকা করা হয়েছে। এখন মালদ্বীপে কথা বলতে মিনিটে ১৫ টাকা খরচ হলেও ১ আগস্ট থেকে তা হবে ২৬ টাকা।
বেশ আগেই এখান থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, চীন, হংকং, দক্ষিণ কোরিয়ায় ৬ টাকা মিনিটে কথা বলা যায়। ঘোষিত নতুন রেটেও এটি বহাল রয়েছে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স, জাপান এবং ইতালির ল্যান্ডফোনে ৬ টাকা মিনিটে কল করা গেলেও মোবাইলে কথা বলতে মিনিটে লাগে সাড়ে ১৬ টাকা। নতুন ঘোষণায় অস্ট্রেলিয়া এবং জাপানের জন্য রেট মিনিটে ১৪ টাকা।
ভারতের সঙ্গে কলরেট আরও কমবে
ভারতে কল করতে বেশ খানিকটা রেট কমানো হলেও তা আরও কমাতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন শত-সহস্র লোক ভারতে চিকিৎসা বা অন্য প্রয়োজনে টেলিফোন করে। ওপার থেকেও অনেক ফোন আসে। কিন্তু দুই দেশে কল করার খরচ বেশ চড়া। এ খরচ কমিয়ে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে কলরেট ৬ টাকা নির্ধারণ করতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দুই দেশের অপটিক্যাল ফাইবার কানেক্টিভিটি হয়ে গেলে এ কলরেট মিনিটপ্রতি ৬ টাকায় চলে আসবে।

আগস্টে আরও ৩৩ শতাংশ কমছে আইএসডি কলরেট

hawker.com.bd [ ] 2010-07-11

আগস্টে আরও ৩৩ শতাংশ কমছে আইএসডি কলরেট


ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, কুয়েত ও বাহরাইনসহ আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের আইএসডি ফোনের কলরেট ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত কমছে। আগামী ১ আগস্ট থেকে ওই দেশগুলোতে মিনিটপ্রতি ১৮ টাকার পরিবর্তে ১২ টাকায় কথা বলা যাবে। কমপক্ষে ১৭টি দেশের সঙ্গে আইএসডি কলরেট মিনিটপ্রতি সর্বোচ্চ আট টাকা পর্যন্ত কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে দু-একটি দেশের ক্ষেত্রে কলরেট কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
কমিশনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা বলেছেন, কলরেট কমানোয় গ্রাহকের বেশ সাশ্রয় হলেও সরকারের রাজস্ব খুব বেশি কমবে না। বিটিআরসির হিসাবে বাংলাদেশ থেকে দিনে অন্তত ৫০ লাখ মিনিট আউট-গোয়িং আইএসডি কল হয়। এর ৯৫ শতাংশ কলই যায় মাত্র ২৫টি দেশে। ওই কর্মকর্তারা বলেন, জনস্বার্থে মূলত ওই দেশগুলোতেই খরচ কমানো হয়েছে। এ ছাড়া আট দেশের জন্য ইতিমধ্যেই বিদ্যমান মিনিটপ্রতি ছয় টাকার হ্রাসকৃত কলরেট বহাল থাকছে। ল্যান্ডফোন এবং মোবাইলের রেটে কিছুটা পার্থক্য থাকবে বলে জানানো হয়েছে। বর্তমানে পাকিস্তান ও বাহরাইনে ল্যান্ডফোন থেকে ১২ টাকা এবং মোবাইল থেকে ১৪ টাকা মিনিট করা হয়েছে। সৌদি আরবে মিনিট ১৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১৬ টাকা করা হয়েছে। ভারতের সঙ্গে কলরেট আরও কমবে: কর্মকর্তারা জানান, ভারতমুখী কলরেট আরও কমানোর জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। বিশেষ করে চিকিৎসা ও ব্যবসাসহ বিভিন্ন কারণে প্রতিদিন দুই দেশের মধ্যে বহু লোক কথা বলেন। কিন্তু এ দুই প্রতিবেশীর মধ্যে কল করার খরচ বেশ চড়া। তাই এর হার কমিয়ে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে কলরেট ছয় টাকা নির্ধারণ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিটিআরসির বিশ্বাস, দুই দেশ অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে গেলে কলরেট মিনিটপ্রতি ছয় টাকায় নেমে আসবে।

টেলিটকে ভিওআইপির অবৈধ ব্যবসা সবচেয়ে বেশি!

hawker.com.bd [ ] 2010-07-11

টেলিটকে ভিওআইপির অবৈধ ব্যবসা সবচেয়ে বেশি!


 সজল জাহিদ
অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক কল টার্মিনেশনের (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল-ভিওআইপি) ব্যবসায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হচ্ছে সরকারি মালিকানাধীন টেলিটকের সংযোগ। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এবং মোবাইল অপারেটর রবি কার্যালয়ে স্থাপিত দুটি সিম ডিটেকশন বক্স থেকে পাওয়া অবৈধ কল টার্মিনেশনের হিসাবে টেলিটকই রয়েছে শীর্ষে। তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে টেলিটক কর্তৃপক্ষ। বরং তারা বলছে, নির্দিষ্ট ওই মেশিনটি বেসরকারি অপারেটররা বসিয়েছে। সে কারণে তাদের ইচ্ছামতো তথ্যই সেখান থেকে আসছে। তবে এ বক্তব্যে বিটিআরসিকে পাশে পাচ্ছে না টেলিটক। বিটিআরসির হিসাবে মধ্য মে থেকে গত ৭ সপ্তাহে টেলিটক সংযোগ ব্যবহার করে ৪০ হাজার ৪৭১ বার অবৈধ কল টার্মিনেশন হয়েছে। এ হিসাবে ভিওআইপির অবৈধ ব্যবসায় ৬৪ শতাংশ ক্ষেত্রে তাদের সিম ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যদিকে রবির তালিকা অনুযায়ী টেলিটক দিয়ে অবৈধ কলের ৬৯ শতাংশ এসেছে। প্রথম পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত এ অবৈধ কল টার্মিনেশনের ৫৯ শতাংশই ছিল টেলিটক সিমের দখলে।
সিম ডিটেকশন বক্স দুটি স্থাপনের পর গত সাত সপ্তাহের এ তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রবি এবং বাংলালিংক। ওয়ারিদ রয়েছে তৃতীয় স্থানে। সরকারি ল্যান্ডফোন অপারেটর বিটিসিএল, গ্রামীণফোন এবং সিটিসেল রয়েছে পরের স্থানগুলোতে। তবে অবৈধ কল টার্মিনেশনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অপারেটরের সিম ব্যবহার করা হলেও এক্ষেত্রে ওই অপারেটরগুলো দায়ী নয় বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটবের সভাপতি জাকিউল ইসলাম বলেন, অপারেটররা সংযোগ বিক্রি করলেও গ্রাহক সেটি নিয়ে কী করে, তা পাহারা দেওয়া অসম্ভব। সে কারণে অপারেটরদের ওপর দোষ চাপানোও অন্যায়। অভিযোগ থেকে বাঁচতেই পয়সা খরচ করে অপারেটররা বিটিআরসিতে সিম ডিটেকশন বক্স বসিয়েছে। তবে অভিযোগ পাওয়ার পরও টেলিটক কেন ওই সিমগুলো বন্ধ করে দিচ্ছে না, সে বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অ্যামটব সভাপতি। এ বিষয়ে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) জিয়া আহমেদ বলেন, সিম ডিটেকশন বক্স থেকে প্রাপ্ত অবৈধ কাজে ব্যবহৃত নম্বরের তালিকা অপারেটরদের পাঠানো হয়েছে। টেলিটককেও পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে নম্বরগুলো বন্ধ করাসহ সংযোগের বিপরীতে সব তথ্য কমিশনে পাঠাতে বলা হয়েছে। না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। টেলিটকের সংযোগ ব্যবহার করে ভিওআইপির অবৈধ ব্যবসা করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন, এটা হতেই পারে না। টেলিটক দিয়ে কম-বেশি অবৈধ ভিওআইপি হতে পারে, তাছাড়া সব অপারেটরের সিম দিয়েই এটা হয়। সে ক্ষেত্রে কেবল টেলিটকের নামে অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি আরও বলেন, টেলিটকের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় দেখা গেছে অবৈধ বৈদেশিক কল আদান-প্রদানে বাংলালিংকের সংযোগ ব্যবহার করা হচ্ছে শতকরা ৮৪ ভাগ। এ বিষয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন বিটিআরসি এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। টেলিটকের অপর এক কর্মকর্তা বলেন, তথ্য প্রদানকারী মেশিনটি বসিয়েছে বেসরকারি অপারেটররা। তারাই পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এমইইউসিসিআইকে খরচ দেয়। ফলে তাদের নির্দেশনায় বেসরকারি অপারেটরদের নম্বর লুকিয়ে সরকারি অপারেটরের নম্বর বেশি দেওয়া হচ্ছে। তাই এ হিসাবের পেছনে তাদের কারসাজি অবশ্যই রয়েছে। তিনি জানান, এ পর্যন্ত ভিওআইপি অভিযোগে দুই হাজার ৮৫২ সংযোগ বন্ধ করা হয়েছে।
ভিওআইপির অভিযোগ থেকে মুক্তি পেতে গত ৫ মে দেশের চার মোবাইল অপারেটর (গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, ওয়ারিদ ও সিটিসেল) বিটিআরসি কার্যালয়ে সিমবক্স ডিটেকশন সিস্টেম স্থাপন করে। পরে ১১ মে অপর মোবাইল অপারেটর রবি নিজ কার্যালয়ে আরেকটি যন্ত্র স্থাপন করে।

রেমিটেন্স আসছে মোবাইল ফোনে

hawker.com.bd [ ] 2010-07-11

রেমিটেন্স আসছে মোবাইল ফোনে


এবার রেমিটেন্স পাঠানোর কাজে এগিয়ে এসেছে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো। দেশে দ্রুত ও নিরাপদে গ্রাহকের কাছে প্রবাসীদের পাঠানো টাকা পেঁৗছে দিতে এ উদ্যোগ নিয়েছে তারা। ইতিমধ্যে এ সেবাটি চালু করেছে বাংলালিংক। গ্রামীণফোনও আসছে একই পথে। এ মাসের মধ্যে তারাও প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিদের টাকা দেশে আনার কাজ শুরু করবে। রবি এবং দেশের সবচেয়ে পুরনো মোবাইল অপারেটর সিটিসেলও এ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিভিন্ন সেবা খাতের বিল নেওয়া, টিকিট বিক্রি করার পর রেমিটেন্স সেবার মাধ্যমে অপারেটরগুলো এখন হাঁটছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের দিকে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম মোবাইল রেমিটেন্স সেবা চালু করেছে। মোবাইল অপারেটররা বলছে, সরকারের নীতিগত সহায়তা পেলে এ খাতে তারা বিপ্লব ঘটাতে পারবে। তাদের মতে, ইতিমধ্যে ব্যাংকের অনেক কাজ শুরু করেছে অপারেটরগুলো। মোবাইলের এ সেবাগুলো যেভাবে এগোচ্ছে তাতে চলতি বছরের মধ্যেই ব্যাংকের সব কাজ মোবাইলের মাধ্যমেই করা সম্ভব হবে। এ বছর ১৩ এপ্রিল মোবাইল রেমিটেন্স সেবার উদ্বোধন করেছে বাংলালিংক। গত তিন মাসে আড়াইশ' থেকে তিনশ' জনের সঙ্গে লেনদেন করেছে অপারেটরটি। প্রথম ঢাকায় কেবল ১৯টি পয়েন্টে সেবা দিয়ে শুরু করে তারা। পরে মে ও জুনে রেমিটেন্স সেবার পয়েন্টের সংখ্যা শতাধিক পার করে ফেলেছে। এই মাসের মধ্যে এর সংখ্যা সহস্রাধিক হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন কোম্পানির পাবলিক রিলেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ম্যানেজার সোলায়মান আলম। এই সেবাটি চালুর আগে অপারেটররা দেশের অঞ্চলভিত্তিক রেমিটেন্স প্রবাহের তথ্যও সংগ্রহ করেছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স আসে কুমিল্লা, ফেনী এবং নোয়াখালী অঞ্চলে। সে কারণে ওই সব এলাকাকে গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্প তৈরি করেছে বাংলালিংক। এরপর চট্টগ্রাম, সিলেট, শরীয়তপুর, গাজীপুরের কিছু নির্দিষ্ট এলাকাকেও বিশেষ বিবেচনায় রেখেছে তারা। ইতিমধ্যে মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রেমিটেন্সের যত লেনদেন হয়েছে, তার প্রায় সবাই হয়েছে এই অঞ্চলগুলোতেই। আগে যেখানে বৈধ পথে বিদেশ থেকে রেমিটেন্স আসতে ৪/৫ দিনের বেশি সময় লাগত, এখন সেখানে মোবাইল রেমিটেন্সের মাধ্যমে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রাহক টাকা পেয়ে যাচ্ছেন।
বিদেশ থেকে রেমিটেন্স আনার ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের ব্যাংক ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড (ডিবিএল) এবং ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের (ইবিএল) সঙ্গে পৃথক চুক্তি রয়েছে বাংলালিংকের। লেনদেনগুলো হচ্ছে দুটি ব্যাংকের মাধ্যমে।
যে অপারেটর রেমিটেন্স সেবা দেবে কেবল তারাই যে ওই সেবাটি পাবে তা নয়, বরং যে কোনো গ্রাহক তাদের মাধ্যমে সেবাটি নিতে পারবেন। ফলে বাংলালিংকের গ্রাহক না হয়েও বাংলালিংকের মাধ্যমে যে কেউ বৈদেশিক রেমিটেন্স পেতে পারেন। একইভাবে মোবাইল অপারেটররা যখন ব্যাংকের এজেন্ট হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাবে, তখনও তারা অন্য অপারেটরের গ্রাহকদেরও সেবা দেবে।
মোবাইলে রেমিটেন্স সেবা প্রসঙ্গে সোলায়মান আলম বলেন, দেশের বেশিরভাগ লোক এখন ব্যাংকিং সেবার বাইরে রয়েছেন। মোবাইল অপারেটররা ব্যাংকগুলোর সহযোগিতায় সেবা বিস্তৃত করতে পারলে গ্রাহকদের মাঝে আরও দ্রুত ও নিরাপদে রেমিটেন্স পেঁৗছানো সম্ভব। এতে করে প্রবাসী মোবাইলের মাধ্যমে রেমিটেন্স পাঠাতে আরও উৎসাহী হবেন। তিনি বলেন, এ উদ্যোগ সফল হলে এমন এক সময় আসবে যখন ব্যাংকিং খাতের চেয়ে বেশি করে মোবাইলের মাধ্যমে রেমিটেন্স আসবে। মোবাইলের মাধ্যমে রেমিটেন্স সেবা দিতে গ্রামীণফোনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন অপারেটরটির হেড অব ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস দেলোয়ার হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, তাদের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। যে কোনো দিনই সেবাটি গ্রাহকদের হাতে তুলে দিতে পারবেন। নিজেদের ই-টিকিটিং এবং অন্যান্য সেবার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এটি আসলে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের প্রথম ধাপ। বাংলাদেশের মতো মোবাইল রেমিটেন্স সেবা দিয়ে শুরু করেছিল ফিলিপিন্সের বেশ কয়েকটি মোবাইল অপারেটর। এখন তারাই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের উদাহরণ হয়ে গেছে। একইভাবে কেনিয়াও আদর্শ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের উদাহরণ। ইতিমধ্যে এ প্রক্রিয়াগুলো দেখে আসার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ফিলিপিন্সও সফর করে এসেছেন। তাদের প্রস্তাব অনুসারেই শুরু হয়েছে মোবাইল রেমিটেন্স।

মন্ত্রণালয়ের কর্তৃত্বই বহাল টেলিযোগাযোগ আইনে

hawker.com.bd [ ] 2010-07-12

মন্ত্রণালয়ের কর্তৃত্বই বহাল টেলিযোগাযোগ আইনে


সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদন দাখিল
শেষমেশ মন্ত্রণালয়ের মতই মেনে নিল ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। পাঁচ দফা বৈঠক করে কমিটি যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তার গুরুত্বপূর্ণ দফাগুলো চূড়ান্ত প্রতিবেদনে স্থান পায়নি। ফলে টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধনের ব্যাপারে মৌলিক জায়গাগুলোতে মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তই বহাল থেকেছে।
বিল আকারে উত্থাপিত টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১০-এর ওপর সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদন গতকাল রোববার সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, কমিটির সুপারিশের ব্যাপারে মন্ত্রণালয় থেকে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছিল, যে কারণে শেষ পর্যন্ত কমিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ অনুযায়ীই প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করে।
প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ টেলিযোগযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) আরোপ করা প্রশাসনিক জরিমানার বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আপিল করতে পারবেন। কিন্তু সরকারের কোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
অথচ পাঁচ দফা বৈঠক শেষে ৫ জুলাই কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছিলেন, সরকার ও বিটিআরসির প্রশাসনিক জরিমানা আদেশ বা কোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আপিল করতে পারবেন।
সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারক এবং সরকার কর্তৃক নিয়োগ করা দুজন সদস্য নিয়ে আপিল বোর্ড গঠন করা হবে। শেষের দুই ব্যক্তির একজন টেলিযোগাযোগ বিষয়ে অভিজ্ঞ হবেন। কিন্তু চূড়ান্ত প্রতিবেদনে টেলিযোগাযোগ বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্তির বিধান রাখা হয়নি।
কমিটির খসড়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, আপিল কর্তৃপক্ষ আবেদন পাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে সব পক্ষকে শুনানির সুযোগ দিয়ে অভিযোগের নিষ্পত্তি করবেন। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এই সুপারিশও রাখা হয়নি।
প্রতিবেদনটিতে বিটিআরসির জন্যও কোনো সুসংবাদ নেই। আইনের ১৬টি ধারায় প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে বিটিআরসিকে ক্ষমতাশূন্য করা হয়েছে। লাইসেন্স প্রদান, ট্যারিফ নির্ধারণসহ অন্যান্য কাজ বিটিআরসি করবে। তবে সব কাজের আগেই প্রতিষ্ঠানটিকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হবে। বিটিআরসি কারও বিরুদ্ধে প্রশাসনিক জরিমানা আরোপ করার আগে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের ধরন যাচাই করে দেখতে হবে।
আইনের চারটি ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩০০ কোটি টাকা জরিমানা আদায়ের বিধান করা হয়েছে। কমিটির সদস্যদের কেউ কেউ মনে করেন, এই আইনের কারণে সরকারের বড় ধরনের রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা থেকে যাবে। কোনো প্রতিষ্ঠান যদি সরকারের দুই হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি করে থাকে, সেই প্রতিষ্ঠানও ৩০০ কোটি টাকা জরিমানা দিয়ে রেহাই পেয়ে যাবে।
বিলটি সম্পর্কে গতকাল কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু প্রথম আলোকে বলেন, ‘যা সবার জন্য ভালো, আমরা তা করার চেষ্টা করেছি। সুপারিশ অনুযায়ী বিটিআরসি সব কাজই করতে পারবে, তবে সরকারের অনুমোদন নিতে হবে।’
আপিল বোর্ড সম্পর্কে সংসদীয় কমিটির সভাপতি ইনু বলেন, এ ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় যে যুক্তি দেখিয়েছে, তা গ্রহণযোগ্য। আইন অনুযায়ী সরকার নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় থাকবে। তাই সরকারের বিরুদ্ধে আপিল করার বিধান রাখা হয়নি।
প্রসঙ্গত, ডাক ও টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) বিল ২০১০ গত ১৩ জুন সংসদে উত্থাপন করা হয়। বিলটি চলতি অধিবেশনেই পাস হতে পারে বলে কমিটির সভাপতি জানিয়েছেন।