বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআইএ) রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায়। বৈধভাবে ফোন সেট আমদানি এবং সরকারের রাজস্ব আয় বাড়াতে শুল্কে এ পরিবর্তন আনা উচিত বলে দাবি করেন সংগঠনের মহাসচিব ফয়সল আলীম। বর্তমানে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি জানিয়ে বিএনপিআইএ'র মহাসচিব বলেন, "২০১১ সাল নাগাদ তা সাত কোটিতে দাঁড়াবে।" বিএমপিআই'র তথ্য অনুসারে ২০০৮-০৯ অর্থবছরে বৈধ পথে ৬০ লাখ ৪৩ হাজার মোবাইল ফোন আমদানি হয়েছে যা এর আগের অর্থবছরের তুলনায় ২১ শতাংশ বেশি। পরের অর্থবছর থেকে সেটপ্রতি তিনশ টাকা শুল্ক আরোপ করা হয়। ২০০৯-১০ অর্থবছরে সেটপ্রতি ১২ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়। এরপর থেকে বৈধ পথে মোবাইল ফোন সেট আমাদিন কমে যায় বলে দাবি করছে বিএমপিআই। ফয়সল বলেন, "গত অর্থবছরে বৈধ পথে মোবাইল ফোন আমদানির হার ছিল ৮৫ শতাংশ, চলতি অর্থবছরে সেটা কমে দাঁড়িয়েছে ৭৫ শতাংশে।" মোবাইল ফোনের আমদানি চাহিদা প্রতি মাসে ৭৫ হাজার জানিয়ে তিনি দাবি করেন, প্রায় ৫৬ হাজার ফোন সেট বৈধ পথে আমদানি হয়। বাকিগুলো চোরাই পথে আসে। আমদানিকারকদের সংগঠনটি জানায়, অবৈধ পথে দেশে একটি মোবাইল ফোন নিয়ে আসতে খরচ হয় একশ থেকে একশ ৫০ টাকা। ''এই কারণেই অবৈধ আমদানি বাড়ছে এবং সরকার বছরে ছয়শ থেকে সাতশ কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে,'' বলেন সংগঠনটির মহাসচিব। বেশি দামের মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে ১০০ টাকা শুল্ক যথেষ্ট নয় বলে স্বীকার করে মহসচিব বলেন, "অবৈধ আমদানি নিয়ন্ত্রণে এ ছাড়া অন্য উপায় নেই।" অবৈধ আমদানি নিয়ন্ত্রণে বিএমপিআই'র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, সংগঠনটি 'পুলিশি' দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। তারা বিটিআরসির কাছে আবেদন জানাতে পারে। ঢাকায় প্রায় দুশ ব্যবসায়ী অবৈধভাবে আমদানি করা মোবাইল ফোন ব্যবসায় জড়িত বলে জানান ফয়সল। দেশে বৈধ মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীর সংখ্যা জানতে চাইলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা জানাতে পারেননি। তিনি জানান, অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ২৫ জন। এছাড়া আরো ১০-১৫ জন বৈধ আমদানিকারক রয়েছে। |
Monday, April 26, 2010
মোবাইল ফোন সেটের শুল্ক ১০০ টাকা করার দাবি
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment