Pages

DSE

Freelancer

Freelance Jobs Freelance Jobs
Showing posts with label Virus. Show all posts
Showing posts with label Virus. Show all posts

Monday, April 26, 2010

মেইলের পিডিএফ হতে পারে ভাইরাস বাহক

new computer virusসম্প্রতি জানা গেছে, কম্পিউটার থেকে তথ্য চুরি করতে অ্যাডোবি অ্যাক্রোব্যাট ফাইল ফরম্যাট বা পিডিএফ ব্যবহৃত হতে পারে। কম্পিউটার হ্যাকাররা এ ধরনের ফাইল অ্যাটাচমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করে চুরি করে নিতে পারে গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য। খবর ইন্ডিয়া টাইমসের।

সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, পিডিএফ ফাইলকে বিবেচনা করা হয় ডকুমেন্টস দেখার জন্য সবচে নিরাপদ মাধ্যম হিসেবেই। এটিকে এতো বেশি নিরাপদ মনে করা হয় যে, এই ফাইল ফরম্যাটের মাধ্যমে ক্রেডিট কার্ড বিষয়ক তথ্য, ব্যাংকের যাবতীয় অনলাইন ডকুমেন্ট, বক্তব্য এমনকি বিলও পাঠানো হয়। আর তাই এই ফাইল ফরম্যাটকে পুঁজি করেই হ্যাকাররা তাদের স্বার্থসিদ্ধি করতে পারে।

ওয়েবসেন্স নামের একটি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, জেডবোট ট্রোজান ভাইরাস নামের একটি কম্পিউটার ভাইরাস মেইলের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। সম্প্রতি এই ভাইরাসটি ‘জিউস’ নামেও ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে।

জানা গেছে, এ ভাইরাসটি মেইলে পিডিএফ ফাইলের আকারেই কম্পিউটারে আসতে পারে। ব্যবহারকারী এ ফাইলে ক্লিক করলেই সেই কম্পিউটারটি এই ভাইরাসের দখলে চলে যায়। আর সেখান থেকেই চুপিসারে সরিয়ে নিতে থাকে বিভিন্ন তথ্য।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এ ভাইরাসটি ছড়িয়েছে চীনের কোনো এক হ্যাকার।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, Royal_Mail_Delivery_Notice.pdf.  নামের কোনো পিডিএফ ফাইল খোলা একেবারেই ঠিক হবে না। মেইলে এ নামের  পিডিএফ ফাইল আসলে জিউস বা জেডবোট ট্রোজান ভাইরাস এর বাহক।

জানা গেছে, মেইলে আসা ভাইরাসটি পিডিএফ ফরম্যাটের ফাইলটিতে ক্লিক করা হলে ব্যবহারকারীকে তার কম্পিউটারে সেভ করার নির্দেশ দেবে। আর যখনই এটি সেভ করা হবে তখনই এই ভাইরাসটি কার্যকর হয়ে যাবে। দেখতে নিরীহ পিডিএফ ফাইলের চেহারা নিয়ে থাকলেও আদতে এটি কিন্তু তা নয়। সাধারণ পিডিএফের ছদ্মবেশে ব্যবহারকারীকে ধোঁকা দিতে পারে এ ভাইরাসটি।

Royal_Mail_Delivery_Notice.pdf virusনিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এ ভাইরাসটি শনাক্ত করতে সর্বশেষ অ্যান্টিভাইরাস আপডেট করতে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও তারা এও জানিয়েছেন যে, পিডিএফ আদলের এ ভাইরাসটিকে ক্ষতিকর হিসেবে সনাক্ত করতে এন্টিভাইরাসের ভূল করার সম্ভবনা শতকরা ৮০ ভাগ।

সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, এ ভাইরাসটি নিজে নিজে কপি হয়ে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমসহ পুরো কম্পিউটার জুড়েই ছড়িয়ে পড়ে। কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম যেখানে রাখা হয়েছে সেগুলোর রেজিস্ট্রি এমনই এক পদ্ধতিতে পরিবর্তন করে দেয়, যাতে প্রতিমূহুর্তেই কর্মক্ষম থাকে এ ভাইরাসটি।